ঢাকা , বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ , ২২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ইসলামে সালামের গুরুত্ব ও ফজিলত স্বৈরাচারের মতোই গুপ্তরা এখন নতুন জালিমে পরিণত হয়েছে: তারেক রহমান প্রস্টেটের সমস্যা কোন বয়সে কী কী লক্ষণ চিনে সতর্ক থাকতে হবে? বন্দর শ্রমিকদের অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি শুরু অনলাইনে গেম খেলতে নিষেধ করায় ভারতে ৩ বোনের আত্মহত্যা নওগাঁয় এক রাজস্ব কর্মকর্তার মরদেহ উদ্ধার নরসিংদীতে দুই পক্ষের সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে স্কুলশিক্ষার্থী নিহত চেলসিকে হারিয়ে কারাবাও কাপের ফাইনালে আর্সেনাল নগরীতে পুলিশের অভিযানে গ্রেফতার ১৯ অভিনয় থেকে রাজনীতি, লোকসভা ভোটে লড়াই! মার্কিন রণতরীর দিকে ‘এগিয়ে যেতেই’ ইরানের ড্রোনকে ধ্বংস করল আমেরিকা! দেশে পৌঁছেছে ৩ লাখ ২৬ হাজার প্রবাসীর ভোট পাকিস্তানে ব্যাপক সংঘর্ষে নিহত ২৫৫ আলবাসেতেকে হারিয়ে সেমিফাইনালে বার্সেলোনা ইউক্রেনের জ্বালানি স্থাপনায় ভয়াবহ ড্রোন হামলা রাশিয়ার কোচিং সেন্টার ও নোট-গাইড বন্ধে কঠোর বিধান রেখে শিক্ষা আইনের খসড়া প্রস্তুত ১৭১ মিলিয়ন ডলার কিনলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক সাথে থাকলে সঙ্গী, পাশে না থাকলে জঙ্গি—এটাই কি রাজনীতির নীতি?: ঠাকুরগাঁওয়ে রাশেদ প্রধান বাংলাদেশি যুবককে গুলির ঘটনায় নিউইয়র্কের মেয়র মামদানির ‘অস্পষ্ট ব্যাখ্যা’ বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের অভিবাসীদের ভিসা স্থগিতাদেশে ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে মামলা

স্বাদে অনন্য বকফুলের বড়া

  • আপলোড সময় : ১০-১২-২০২৫ ০১:১৭:১৬ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১০-১২-২০২৫ ০১:১৭:১৬ অপরাহ্ন
স্বাদে অনন্য বকফুলের বড়া স্বাদে অনন্য বকফুলের বড়া
লম্বা একটা বাঁশ দিয়ে গাছ থেকে ফুল পাড়ছিলেন অসীম সাহা। আর সেগুলো কুড়িয়ে নিচ্ছিল ছোট্ট শিশু অবন্তী। ফুলগুলো দিয়ে বড়া খাবে। তাই বাবার সঙ্গে এসেছে । ফুলটার নাম বকফুল।  সবজি হিসেবে জনপ্রিয় এই ফুল অনেকেই ভেজে খান। মিষ্টিকুমড়ার ফুলের বড়ার মতোই এর বড়া বেশ সুস্বাদু।

 গ্রামবাংলার পরিচিত গাছ বকফুল এখন আর আগের মতো সহজে দেখা যায় না। দ্রুত নগরায়ণ ও পরিবেশগত পরিবর্তনের কারণে এই গাছ দিন দিন কমে যাচ্ছে। তবে নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলার ভাবিচা গ্রামে ফুলসহ  বকফুল গাছের দেখা পাওয়া গেল। 

গ্রামের বাসিন্দা অসীম সাহা জানালেন, বছর দেড়েক আগে তিনি একই গ্রামের হেমেন্দ্রনাথ সাহার কাছ থেকে একটি চারা এনে বাড়ির পিছনে লাগিয়েছেন। একবছরের মধ্যেই গাছে ফুল ধরা শুরু করেছে। নিজেরা এই ফুলের বড়া খান। পাড়া প্রতিবেশীরাও এসে নিয়ে যায়।

হেমেন্দ্রনাথ সাহা জানালেন, তাঁর বাড়ির উঠানে এই গাছ ছিল। গাছটা বেশ বড় ছিল। ভাবিচা গ্রামসহ আশেপাশের গ্রাম থেকে লোক আসতো এই ফুল নিতে। ফুলের কিছু বীজ সংরক্ষণ করে  রেখে দিয়েছিলেন। সেই বীজ অনেককে দিয়েছেন। 

গ্রামের পবিত্র প্রামানিকের বাড়িতেই এই বকফুল গাছের দেখা পাওয়া গেল।

গৃহবধূ বেবি রানী জানালেন, অ্যাংকার ডাল বা খেসারি ডাল বেটে এই ফুল দিয়ে বড়া করলে বেশ সুস্বাদু হয়। বেসন দিয়ে করলেও ভালো লাগে। 
আমরা মাঝেমধ্যেই এই বকফুল এনে বড়া করে খাই। 

পরিবেশবিদ মোকারম হোসেনের লেখা 'ফুল' নামক বইয়ে লেখা আছে, আমাদের প্রকৃতিতে বকফুল অনেক পুরোনো। গাছ ছোটখাটো ধরনের, দ্রুত বর্ধনশীল। ফুলের গড়ন অনেকটা শিম ফুলের মতো। সাদা, গোলাপি ও লাল রঙের হয়। মাঝখান থেকে বাঁকানো, অনেকটা পাখির ঠোঁটের মতো। বীজ থেকে সহজেই চারা হয়।

বছরে একবার পাতা ঝরায়। বেশি দিন বাঁচে না।পাতা চিরল চিরল, অনেকটা শিরীষপাতার মতো। শরৎ-হেমন্তে সারা গাছে দুই থেকে চারটি ফুলের থোকা ঝুলে থাকে।। অবশ্য বছরের অন্যান্য সময়েও দু-চারটি ফুল ফুটতে পারে। 
এক বছরেই এই গাছে ফুল ও ফল আসে। গাছ তেমন কোনো কাজে লাগে না। তবে বাকল ও শিকড় ওষুধ তৈরিতে কাজে লাগে। এ ফুলের তৈরি ভাজি ও বড়া খেতে সুস্বাদু।

বকফুলের বৈজ্ঞানিক নাম Sesbania grandiflora। পরিবার Fabaceae। জন্মস্থান মালয়েশিয়া।

নিউজটি আপডেট করেছেন : Rajshahir Somoy

কমেন্ট বক্স
নগরীতে পুলিশের অভিযানে গ্রেফতার ১৯

নগরীতে পুলিশের অভিযানে গ্রেফতার ১৯